23 November, 2017

ওরে বাবা !!! এত দাম, কিনবেন নাকি ?


15 November, 2017

ইবিএল একোয়া মাস্টারকার্ড করবেন যেভাবে

ইবিএল একোয়া ক্রেডিট কার্ডটিতে ডুয়েল কারেন্সি(ডলার এবং টাকা) লোড করা যায় আর তাই  আলিএক্সপ্রেস থেকে শপিং করতে পারবেন এছাড়াও  দেশে-বিদেশে সকল প্রকার অনলাইন পেমেন্টের ক্ষেত্রেও এটি ব্যাবহার করা যায়।

EBL MasterCard Aqua Prepaid Card

কার্ডের সুবিধাসমূহ:
  • ·         কোন ব্যাংক একাউন্ট না খুলেই কার্ডটি করা যায়
  • ·         ডলার লোড করতে কোন অতিরিক্ত চার্জ দিতে হয় না
  • ·         আলিএক্সপ্রেস থেকে কেনাকাটা,  দেশে বিদেশে যে কোন ধরণের অনলাইন লেনদেন করা যায়
  • ·         কোন চার্জ ছাড়াই ইবিল এটিএম থেকে টাকা তোলা যায়
  • ·         বিশ্বের যে কোন দেশে ব্যবহার করা যায়
কার্ড করতে যা যা লাগবে:
. ভোটার আইডি কার্ড অথবা পাসপোর্টের ফটোকপি
. ছবি- ২ কপি পাসপোর্ট সাইজ
৩. পাসপোর্ট (ডলার এনডোর্সমেন্টের জন্য)

কার্ড ফি(৩ বছরের জন্য একবার):
৫০০ টাকা+ভ্যাট ৭৫ টাকা (কার্ড করার সময় দিতে হবে।)

Ebl Aqua card E-commerce Enrollment Form

একোয়া প্রিপেইড মাস্টারকার্ডটি করবেন যেভাবে:
একুয়া  কার্ড করতে হলে কোন ব্যাংক একাউন্ট খুলতে হয় না। ইস্টার্ন ব্যাংকের যে কোন শাখায় গিয়ে কার্ড করার জন্য উপরোক্ত ডকুমেন্টগুলো সহ  যোগাযোগ করুন। তারা কার্ড করার জন্য কয়েকটি ফর্ম পূরণ করতে দিবে। এই কার্ড দিয়ে আলিএক্সপ্রেস থেকে কেনাকাটা করতে হলে ইকমার্স এনরোলমেন্ট ফর্ম(E-commerce Enrollment Form) নামে একটি ফর্ম পূরণ করতে হবে। আপনাকে দেয়া ফর্মগুলোর সাথে এই ফর্মটি পূরণ না করে থাকলে ওনাদের কাছ থেকে ফর্মটি নিয়ে পূরন করে নিনফর্ম পূরণ করে ছবি, ভোটার আইডি কার্ড অথবা পাসপোর্টের ফটোকপি এবং ৫৭৫ টাকা জমা দিলে ঐদিনই কার্ডটি দিয়ে দিবে। কার্ডে আপনার নাম লেখা থাকবে না, কোন সমস্যা নেই। ভোটার আইডি কার্ডে উল্লেখিত নামটিই কার্ডের নাম হিসাবে আলিএক্সপ্রেসে ব্যবহার করবেন।

কার্ডে ডলার লোড করার আগে পাসপোর্টটি ব্যাংক থেকে এন্ডোর্স করিয়ে নিতে হবে। ব্যাংকে পাসপোর্টটি জমা দিলে তারা কয়েকমিনিটে এন্ডোর্স করে দিবে।

এন্ডোর্সমেন্ট লিমিট(১ বছরে সর্বোচ্চ):
সার্ক: ৫০০০ USD
নন সার্ক: ৭০০০ USD

অর্থাৎ এই কার্ড ব্যবহার করে এর চেয়ে বেশি একবছরে খরচ করতে পারবেন না। একবছর পরে আবার এন্ডোর্স করতে হবে। চাইলে এর কমও এন্ডোর্স করতে পারেন। এন্ডোর্স করা মানেই এতো টাকা অবশ্যই এক বছরে খরচ করতে হবে এমন নয়। বার বার এন্ডোর্স করার ঝামেলা এড়াতে চাইলে প্রথমেই সর্বোচ্চ(সার্ক: ৫০০০ USD, নন সার্ক: ৭০০০ USD) পরিমান এন্ডোর্স করিয়ে রাখতে পারেন।

ডলার লোড:
পাসপোর্ট এন্ডোর্স করা হয়ে গেলে এরপর কার্ডে ডলার অথবা টাকা লোড করতে পারবেন। ডলার অথবা টাকা লোড করার জন্য একটি স্লিপ রয়েছে। স্লিপটির ২ টি অংশ: USD এবং BDT, ডলার লোড করার জন্য শুধুমাত্র USD অংশটি পূরণ করতে হবে। ফর্মের সাথে ঐ দিনের ডলার রেট অনুসারে সমপরিমাণ টাকা জমা দিন। ডলার রেট উঠা নামা করে থাকে, কাজেই ঐদিনের ডলার রেট ব্যাংক থেকে জেনে নিন।

"মনে রাখবেন ডলার লোড করতে হলে অবশ্যই পাসপোর্ট থাকতে হবে। শুধুমাত্র ভোটার আইডি কার্ড দিয়ে হবে না।" 

কার্ডটি সচল হতে ১ সপ্তাহ সময় লাগতে পারে। কার্ড এক্টিভেট হয়ে গেলে আপনার ফর্মে দেয়া মোবাইল নাম্বারে মেসেজ আসবে। ১ সপ্তাহ পরেও মেসেজ না পেলে ১৬২৩০ নাম্বারে কল করে কাস্টমার কেয়ারে যোগাযোগ করুন।

কার্ড এক্টিভেট হবার আগে  পাসপোর্ট এন্ডোর্স ও ডলার লোড না করে পরেও করতে পারেন। এর জন্য কার্ড এক্টিভেট হবার পর পাসপোর্ট ও টাকা নিয়ে আবার ব্যাংকে যেতে হবে।

কার্ডে কত ডলার আছে সেটা কিভাবে দেখা যায় ?
প্রতিটি লেনদেনের পর কার্ডের সর্বশেষ ব্যালান্স আপডেট সহ মোবাইলে একটি মেসেজ পাঠানো হয়।


09 November, 2017

আলিএক্সপ্রেস কি ? কিভাবে আলিএক্সপ্রেস থেকে কেনাকাটা করবেন

AliExpress.com একটি আন্তর্জাতিক ই-কমার্স ওয়েবসাইট। ২০১০ সালে যাত্রা শুরু করে বর্তমানে এটি বিশ্বের একটি জনপ্রিয় অনলাইন মার্কেটপ্লেস বা বাজার হয়ে উঠেছে। সেলার এবং বায়ারদের মধ্যে আলিএক্সপ্রেস একটি মাধ্যম হিসাবে কাজ করে থাকে। কোন সেলার আলিএক্সপ্রেসে একটি অনলাইন স্টোর খুলে তার পণ্য সারা বিশ্বে বিক্রয় করতে পারে। বায়ারগণ বিশ্বের প্রায় সব দেশ থেকেই আলিএক্সপ্রেসে শপিং করতে পারে। হাজার হাজার স্টোরে প্রায় সব ধরণের পণ্যই আপনি পাবেন আলিএক্সপ্রেসে। আলিবাবা গ্রুপের এই ওয়েবসাইটটি রাশিয়া, ব্রাজিল সহ বিভিন্ন দেশে অনেক জনপ্রিয়।

AliAlap.com AliExpress

কিভাবে বাংলাদেশে বসে আলিএক্সপ্রেসে থেকে কেনাকাটা করবেন ?


বাংলাদেশ থেকে শপিং করতে হলে মূলত ৩ টি ধাপ অনুসরণ করতে হবে।
১. পেমেন্ট মেথড
২. পণ্য অর্ডার করা
৩. পণ্য রিসিভ করা

১. পেমেন্ট মেথড:
বাংলাদেশ থেকে কেনাকাটা করার জন্য আলিএক্সপ্রেসে ডলারে পেমেন্ট করতে হয়। এর জন্য আপনার একটি ইন্টারন্যাশনাল মাস্টারকার্ড থাকতে হবে। পেয়োনির, নেটেলার মাস্টারকার্ড এক্ষেত্রে ব্যবহার করতে পারেন। এছাড়াও ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেড (ইবিএল) এর একোয়া প্রিপেইড মাস্টারকার্ড, স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের ডুয়াল কারেন্সি মাস্টারকার্ডও ব্যবহার করতে পারবেন। কার্ড ও পেমেন্ট মেথড নিয়ে অন্য কোন পোস্টে বিস্তারিত লিখব, ইনশা আল্লাহ।

২. পণ্য অর্ডার করা:
পেমেন্টের জন্য একটি কার্ডের ব্যবস্থা হলেই আপনি যে কোন প্রোডাক্ট অর্ডার করতে পারবেন। কার্ডটি প্রথমে একবার আলিএক্সপ্রেসে যুক্ত করে নিলেই হবে। এরপর হাজার হাজার পণ্য থেকে আপনার পছন্দের পণ্যটি খুঁজে নিন। সার্চ অপশন ব্যবহার করে খুব সহজেই যে কোন পণ্য খুঁজে পাওয়া যায়। একই পণ্য কয়েকজন সেলার বিক্রি করতে পারে। তাই অবশ্যই সেলার রেটিং, প্রোডাক্ট রিভিউ, ফিডব্যাক, দাম ইত্যাদি দেখে অর্ডার করা উচিত। 

Payoneer AliExpress BD

অর্ডার করার সময় শিপিং মেথড ও শিপিং এড্রেস বিশেষ ভাবে খেয়াল করতে হবে। দুটি ভাল শিপিং মেথড হল: চায়না পোস্ট রেজিস্টার্ড এয়ার মেইল এবং আলিএক্সপ্রেস স্ট্যান্ডার্ড শিপিং। শিপিং এড্রেস হল সেই এড্রেস বা ঠিকানা যে ঠিকানায় আপনার পণ্যটি পাঠানো হবে। এড্রেস লেখার সময় পোস্ট কোডটি অবশ্যই সঠিকভাবে দিবেন।

৩. পণ্য রিসিভ করা:
পণ্য অর্ডার করার পর সেটি প্রসেস করে পাঠাতে সেলার ভেদে কয়েকঘন্টা থেকে কয়েকদিন পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। আলিএক্সপ্রেসে অর্ডার করা পণ্যটি আপনার দেয়া ঠিকানা অনুসারে আপনার এলাকার পোস্ট অফিসে পাঠানো হবে। পণ্য আসতে শিপিং মেথডের উপর নির্ভর করে ১৫-৬০ দিন পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। সাধারণত ১০-৩০ দিনেই পণ্য এসে পরে। পোস্ট অফিস থেকে পোস্ট ম্যান পণ্যটি আপনার বাসায় দিয়ে যাবে। অথবা আপনি নিজে গিয়েও পোস্ট অফিস থেকে সংগ্রহ করতে পারেন।

পোস্টটি ভাল লাগলে ফেসবুকে শেয়ার করুন। আপনি কি আলিএক্সপ্রেস থেকে কেনাকাটা করেন ?

আরো দেখুন:
বেস্ট পেমেন্ট মেথড আলিএক্সপ্রেস
আলিএক্সপ্রেসের কোন শিপিং মেথডটি বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে ভাল